OrdinaryITPostAd

ব্রণের ঠিক করা উপায় ও কারণ জানুন

ব্রণের ঠিক করা উপায় ও কারণ জানুন

ভূমিকা: 

 অনেকে ব্রণ কে বড় সমস্যা মনে করলেও এর কারণ হচ্ছে সাধারণত জীবাণু ,ত্বকের অযত্ন ও পরিচর্যার অনিয়ম, তেল চর্বি জাতীয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের খাবার ও বিভিন্ন হরমোন জনিত ও আমাদের  বদ অভ্যাসের কারণে হয়ে থাকে তাই এটির কারণ ও প্রতিকার না জানা থাকলে আপনার সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্য উভয়েরই ক্ষতি হবে তো চলুন জেনে নিন এর কারণ ও প্রতিকার।



ব্রণের তৈরির কি সংক্ষিপ্ত ধারণা:   

 বয়ঃসন্ধিকালের পর থেকেই আমাদের দেহে অ্যান্ড্রোজেন ও বিভিন্ন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায় যা আমাদের ত্বকের ন্যাচারাল  অয়েল সৃষ্টিকারী গ্রন্থি কে তেল উৎপাদন করতে উদ্দীপিত করে ফলে আমাদের ত্বকে অতিরিক্ত তেল তৈরি হয় আর তেল তৈরি হওয়ার কারণে ত্বকের মৃত কোষগুলি ঝরে পড়ার বদলে তেল সাথে আটকে যায় ও লোমকূপ বন্ধ করে দেয় ফলে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে ব্রণ সৃষ্টি হয় আশা করি এই ধারণাটি বুঝতে পেরেছেন পরবর্তীতে নিচের দিকে আও অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা রয়েছে।


রাত জাগা মানসিক ও মানসিক চাপ

 
 চিকিৎসা গবেষণায় দেখা গেছে ঘুমের অভাব মানসিক চাপ ও টেনশনের কারণে  এক ধরনের হরমোন কর্টিসলের যা হচ্ছে স্ট্রেস হরমোন অস্বাভাবিকভাবে শরীরে মাত্রা বেড়ে যায় এই হরমোনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে শরীরের নানা পরিবর্তন যেমন:হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ ও মেটাবলিজম কে প্রভাবিত করে ত্বকের তেল গ্রন্থি গুলি থেকে তেল খরন করে আশা করি এরপর আপনি জানেন অতিরিক্ত তেলের কারণে জীবাণুরা আক্রমণ করে ও আমাদের ত্বকের ব্রণ সৃষ্টি করে তা বাদেও মানসিক চাপ বাড়লে ঘুম কমে যায় খাওয়া-দাওয়া ঠিক মতন হয় না এবং ত্বকের পরিচর্যাও বাদ পড়ে যায় আর এই সকল কারণে ত্বকের ব্যারিয়ার নষ্ট হয়ে যায় তাই আমাদের ত্বক হয়ে যায় বেশি সেনসেটিব তো আমরা মূল কারণগুলো আলোচনা করলাম এখন জানবো এর সমাধান কি অবশ্যই জানি তো আমাদের দিনে নিয়মিতভাবে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম ও মেডিটেশন ও স্কিন কেয়ার নিচের দিকে জানবো আপনি সঠিক স্কিন কেয়ার কিভাবে করবে স্ট্রেস ও টেনশন পুরোপুরি এড়ানো না গেল আপনার আপনার স্কিন কেয়ার ও মানসিক শান্তি বেশ অনেকটা হলেও আপনার ব্রণ কমাতে সাহায্য করবে ও আপনার ত্বক করবে ব্রণ মুক্ত ও গ্লোয়িং                                              

ব্রণ সুস্থ করার কিছু খাবার:

                                                                                                                                                                  তো ব্রণ কমানোর জন্য শুধু স্বাস্থ্যকর খাবার খেলেই হবে না বর্জন করতে হবে কিছু অস্বাস্থ্যকর খাবার যেমন: ফাস্টফুড ও এবং ও জাঙ্গ ফুড তো এই সকল খাবারের রয়েছে অনেক স্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে যা ব্রণ তৈরিতে সাহায্য করে তা বাদেও অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার কোলড্রিং, চকলেট ইত্যাদি এছাড়া আমাদের দৈনিক খাবার রিফাইন্ড কাভ যা রয়েছে ভাতে ও প্যাকেট জাতীয় দুধ অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে খাওয়ার  হয়ে থাকে। এই সকল খাবার যদি আমরা প্রতিদিনই গ্রহণ করতে থাকে তাহলে দেখা যায় যে এই খাবারগুলি আমাদের স্কিনে সাইড ইফেক্ট ফেলে ও ব্রণ ছাড়াও অনেক সমস্যা হয়। তো আপনার অতিরিক্ত ব্রণের সমস্যা হয়ে থাকলে অবশ্যই ডাইট ফলো করুন। তো এখন জানি কি কি খাবার খাবেন আপনি ব্রণ প্রতিরোধ করার জন্য আপনি চেষ্টা করবেন ভিটামিন(A) (C) (K) ইত্যাদি ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ওমেগা (3), ফ্যাটি অ্যাসিড জাতীয় খাদ্য আপনার খাদ্য তালিকায় যোগ দিতে কিছু তালিক দেওয়া হল

ভিটামিন যুক্ত ফল:
(1)  আমলকি                (8) স্ট্রবেরি

(2) পেয়ারা                  (9) পেঁপে
                    
(3) কমলা                  (10)আঙ্গুর
                    
(4) বাতাবি লেবু            (11) জাম
                     
(5) লেবু                    (12) আপেল
                            
(6) আনারস                 (13) বাদাম ও বাদাম জাতীয়
                       
(7) আম                    (14) বেদেনা


ভিটামিন যুক্ত শাকসবজি

(1) টমেটো            (8) ঢেঁড়স                    

(2) ফুলকপি           (9) সাজিনা ডাটা

(3) পালং শাক        (10) পুদিনা পাতা

(4) হলুদ              (11) পাতাকপি

(5) ধনেপাতা          (12) লাল শাক

(7) ব্রকলি             (13) মিষ্টি কুমড়া

তো শুধু এ সকল খাবারই খাবেন না সাথে অবশ্যই দিনে দুই থেকে তিন লিটার পানি বা দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি খেলে আপনার ব্রণ কমাতে সাহায্য করবে

তো এখানে সকল খাদ্যের তালিকা দিয়ে দেওয়া রয়েছে তো আপনাদের রুজি খাদ্য তালিকার মধ্যে এর মধ্যে যেকোনো কয়েকটি হলেও খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে তবে এ সকল খাবারের মধ্যে শুধু (A) (C) (K) ইত্যাদি ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ওমেগা (3), ফ্যাটি অ্যাসিড তা বাদেও অনেক খনিজ পদার্থ রয়েছে যা ব্রণ কমাতে সাহায্য করে। আর একটা বিষয় অবশ্যই মনে রাখবেন যে ত্বকের শুধু যত্ন নিলেই হবে না প্রথমে দেহকে তোর থেকে পরিষ্কার করতে হবে যা আপনাকে এই সকল পুষ্টিকর খাবারের মাধ্যমে পরিষ্কার করতে সাহায্য করবে।

ব্রণ ভালো করতে স্কিনএকি মাখা দরকার সেরা চারটি উপাদান:

তো প্রথমেই বলে রাখি ইউটিউব এর আলতু ফালতু ভিডিও দেখে কোন লজিক বা বৈজ্ঞানিক ধারণা ছাড়াই  স্কিন কোন কিছু এপ্লাই করবেন না এতে আপনার স্কিন ভালো হওয়ার বদলে আরও খারাপ হয়ে যায় ও আরো জটিল সমস্যার মুখে পড়তে পারে তো আসুন জানি যুক্তি ও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সহকারে কি কি প্রাকৃতিক উপাদান আপনার স্কিনে এপ্লাই করবেন

(1)অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী: এটি হচ্ছে একটি ভেষজ উদ্ভিদ যাতে রয়েছে ভিটামিন (A) (C) (K) (E)  অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী তা বাদেও রয়েছে স্যালিসালিক এসিড যা ব্রণ সহ ব্রণের দাগও দূর করে। তা বাদেও এটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করে এবং ত্বকের ভেতরে ছোট ছোট ছিদ্র থেকে ময়লা পরিষ্কার করে।

ব্যবহার পদ্ধতিপাতার উপরে চোচা ছিলে ভেতরে তরল জেল বের করে নিন তারপর আপনার মুখ ভালো করে ধুয়ে মুখে বা ব্রণে সরাসরি লাগিয়ে নিন ও একেবারে ধীরে ধীরে একটু মেসেজ করুন।অ্যালোভেরা জেলটি মুখে ১৫-২০ মিনিট মুখে রেখে সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তা বাদদেও আপনি অ্যালোভেরা জেলে এক চামচ মধু ও লেবুর রস দিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে ব্যবহার করতে পারেন কিন্তু আপনার ত্বক যদি বেশি সেনসিটিভ হয়ে থাকে তাহলে লেবুর রস বাদ দিতে পারেন। এভাবেই নিয়মিতভাবে সপ্তাহে ২-৩ দিন ব্যবহার দেখবেন আপনার ব্রণ সহ ব্রণের দাগও দূর হয়ে গেছে এবং তার পাশাপাশি খেতেও পারেন এতেও অনেক উপকার হবে।


(2) নিম পাতা: নিমপাতা শুধু  ব্রনি নয় আরও অন্যান্য চর্ম রোগের জন্য অনেক উপকারী। নিমপাতা 

অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিইনফ্লামেটিভ যা ত্বককে পরিষ্কার ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে। আপনার অন্যান্য উপাদানে এলার্জি থেকে থাকলেও নিমপাতা কিন্তু এলার্জি ঠিক করে তাই নিমপাতা আপনি নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন। নিম পাতা ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করে এবং ত্বককে টানটান করে করে  আরও উজ্জ্বল। আপনি চাইলে নিমপাতা নিমপাতা চুলকানি রাশের উপরেও ব্যবহার করতে পারে।

ব্যবহার পদ্ধতি: নিমপাতা বেটে আপনার ত্বকে সরাসরি ব্যবহার করতে পারেন তা বাদেও নিম পাতা পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি আপনার ফেঁসে ব্যবহার করতে পারে। আর অবশ্যই এটি দেওয়ার আগে আপনার ফেস পরিষ্কার করে ধুয়ে ফেলবেন এরপর উপাদানটি আপনার ফেসে ২০-১৫ মিনিট রেখে সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন ও সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করবেন চাইলে আপনি রস খেতে পারবেন

(3)হলুদ: অন্যান্য উপাদানের মতো হলুদের রয়েছে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাঙ্গাল  এবং অ্যান্টিইনফ্লামেটিভ যা ত্বককে পরিষ্কার ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে ও ব্রণের ফোলা লালচে ভাব দূর করে তোকে করে উজ্জ্বল।

ব্যবহার পদ্ধতি: প্রথমেই বলে রাখি খোলা হলুদের গুড়া কখনো ব্যবহার না কারণ খোলা গুড়া   মিলের গুড়াগুলো এক মেশিনেই তৈরি করা হয় যে মেশিনে মরিচ গুড়া করা হয় তো বুঝতেই পারছেন খোলা গুড়া ব্যবহার করলে ত্বক জালাপোড়া করবে আপনার জন্য সবথেকে ভালো হবে যে কাঁচা হলুদ অথবা প্যাকেটের হলুদ ব্যবহার করা। তো কাঁচা হলুদ বেটে এবং শুকনা হলুদ এক চামচ পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করবেন। আপনি চাইলে এক চামচ মধু ও সামনে পরিমাণে দুধ দিয়ে ফেসপ্যাক বানাতে পারেন যা আরো অনেক ভালো হয়। একটি আপনার ফেসে এপ্লাইয়ের হালকা একটু মেসেজ করবেন তারপরে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে দিয়ে সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন এটি সপ্তাহে ২-৩ লাগালে আপনার ব্রণ সমস্যা সুস্থ হয়ে যাবে।


(4)টক দই: টক দই রয়েছে ল্যাকটিক অ্যাসিড, প্রবায়োটিস এবং জিংক যা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, হিসেবে কাজ করে ও ব্রণ ঠিক করে তার তার পাশাপাশি টক দই এর বড় উপকারিতা হলো এটি ত্বককে অনেক উজ্জ্বল করে ও ল্যাটিক অ্যাসিড ত্বকের ডেড স্কিন, কালো দাগ ,পিগামেন্ট দূর করে। তার পাশাপাশি  আরও অনেক উপকারিতা যেমন বয়সের ছাপ, ডার্ক সার্কেল বা চোখের কাল সিঁড়ি, রোদে পোড়া দাগ আর্দ্রতা বজায় রাখা ইত্যাদি।

ব্যবহার পদ্ধতি: এটি অন্যান্য উপাদানের মতনই। এক চামচ মধু ও সামনে পরিমাণে হলুদ দিয়ে ফেসপ্যাক বানাতে পারেন যা  আরও অনেক ভালো হয়। একটি আপনার ফেসে এপ্লাইয়ের হালকা একটু মেসেজ করবেন তারপরে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে দিয়ে সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন এটি সপ্তাহে ২-৩ লাগালে আপনার ব্রণ সমস্যার পাশাপাশি আপনার স্কিনকে উজ্জ্বল করে তুলবে।


আপনার ত্বকে ফেসওয়াশ বাছাই: 

 তো প্রথমে ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হলে আপনার ত্বক পরিষ্কার রাখতে হবে এই জন্য ফেসওয়াশ অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং হ্যাঁ আপনার ত্বকে কখনোই সাবান ব্যবহার করবেন না কারণ সাবানের ph মাত্রা ফেসওয়াশের ph মাত্রা থেকে অনেক বেশি হয়ে থাকে যা মানুষের মুখমন্ডলের ph মাত্রা সাথে মেলেনা যা আপনার ত্বক পরিষ্কার করলেও আপনার ত্বককে সেনসিটিভ ও রুক্ষ করে তুলবে এতে ব্রণের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে তাই অবশ্যই আপনার মুখমন্ডলে কে সাবান দিয়ে ধোঁয়া বন্ধ করুন। ph তো বুঝলাম তো কিভাবে বুঝতে পারব যে এই ফেসওয়াশের ph কত তো বলে রাখি আমরা এখানে কোন প্রকার ব্যান্ডের নাম বলতে পারবো না কিন্তু আপনি গুগলে সার্চ দিয়ে অথবা পিএইচ পেপার দিয়ে পিএইচ পরীক্ষা করতে পারেন। তো এখন জানি মানুষের ত্বকের স্বাভাবিক ph হচ্ছে ৪.৭ থেকে ৫.৭৫ এর মধ্যে তো আপনাকে ৪.৫ থেকে ৫.৫ অথবা ৬  ph এর মধ্যে একটি ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে হবে। শুধু ph দেখলেই নয়  আরও দেখতে হবে কি কি কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়েছে কারণ ক্ষতিকর ক্ষতিকর কেমিক্যাল থাকলে আপনার ত্বককে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলবে। তো আসুন জানি।

ক্ষতিকর কেমিক্যাল:

(1) প্যারাবেন (Parabens - methyl, butyl, propyl) এটি হচ্ছে একটি প্রিজারভেটিভ যা সাবান ও ফেসওয়াশ কে দীর্ঘমেয়াদি করে। এটি ত্বক ও শরীরের হরমোনের ভালো সাম্য নষ্ট করে ফেলে তার কারণে ব্রণ সহ  আরও অন্যান্য সমস্যার মুখে পড়তে পারেন।

(2) সালফেট (sodium lauryl sulfate - sls/sles) এই কেমিক্যাল টি সাবান বা ফেসওয়াশ প্রচুর পরিমাণে ফেনা তৈরি করতে সাহায্য করে থাকে। কিন্তু এটি ত্বকের আদ্রতা শুষে নেই ও ত্বককে রুক্ষ করে ফেলে যার কারনে আপনার ত্বক শীতের মতন ফেটে গিয়ে জালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে।

(3) ট্রাইক্লোসান (Triclosan) এটি হচ্ছে এক ধরনের এন্টিবায়োটিক কেমিক্যাল যা তোকে সাইনসিটিভ করে তোলে ও ব্যাকটেরিয়া আক্রমণের সংক্রামক বেড়ে যায়।

(4) অ্যালকোহল (Alcohol) ইথানল জাতীয় পদার্থ ত্বকের আদ্রতা নষ্ট করে ফেলে ও ত্বককে রুক্ষ শুষ্ক এবং তোকে উজ্জ্বলতা কমিয়ে দিই।

(5) সুগন্ধী ও কৃত্রিম রং এটি তোকে সংবিধানশীল জালাপোড়া ও এলার্জি সৃষ্টি করতে পারে তাই ত্বকের জন্য অনেক ক্ষতিকর পদার্থ।

(6) ফরমালডিহাইড (Formaldehyde) যা আপনারা ফরমালিন নামে চিনেন এটি শক্তিশালী প্রিজারভেটিভ গুলোর মধ্যে একটি এটিতে সব থেকে ভয়ংকর রোগ ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান (Carcinagen) রয়েছে তাই উপাদানে এটি দেখে কিনবেন।

(7) থ্যালেটস (Phthalates) এটি সুগন্ধি অনেকদিন স্থায়ী এবং প্লাস্টিকের নমনীয়তা বাড়াতে ব্যবহার করা হয় এই পদার্থটি মানুষের প্রজননের সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে।

তো অবশ্যই আপনি যদি ব্রণ ও ত্বকের অন্যান্য সমস্যা থেকে চিরস্থায়ীভাবে মুক্তি পেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার ফেসওয়াশে এই সকল উপাদান দেখে কিনবেন যাতে আপনার কোন প্রকার চর্ম সমস্যা না হয়।

যে সকল অনিয়ম ও বদ অভ্যাসের কারণে ব্রণ বৃদ্ধি হয়ে থাকে: 

(1) তো ব্রণের প্রথম কারণ হচ্ছে জীবাণু তাই আপনাকে অবশ্যই নিজের পক্ষে পরিষ্কার রাখতে হবে যার কারণে দিনে ৩ থেকে ৪  আপনার মুখ ধুতে হবে। ও বাইরে থেকে আসার পর অবশ্যই ধোয়া বলবেন না কারণ বাইরের ধুলাবালির কারণে আপনার ত্বক অনেক নোংরা হয়ে থাকে ও জীবাণু সংক্রমণ বাড়িয়ে তোলে।

(2) ব্রণ কে নোংরা হাত দিয়ে খোঁচানো বা টিপে ব্রনের ভিতরে নোংরা বের করা একটি অত্যন্ত ভুল একটি কাজ আপনি যদি ভেবে থাকেন এটি ব্রণ ভালো করবে কিন্তু এটি একবারই ভুল। এটি বরঞ্চ আপনার ব্রণ কে  আরও অধিক পরিমাণে বাড়ি চলবে কারণ আপনি আপনার ত্বককে ক্ষত সৃষ্টি করছে ও জীবাণু সংক্রমণ হার বাড়িয়ে তুলছেন এতে ব্রণের বৃদ্ধি সহ ব্রণের দাগ চিরস্থায়ী হয়ে যায়। তাই অবশ্যই এটি থেকে বিরত থাকুন আর ব্রণ স্টিক ও ব্যবহার করবেন সেটাও একই বিষয় হল।

(3) নোংরা বালিশ বা নোংরা গামছা তোয়ালা ব্যবহার করা কারণে আপনার ব্রণ বৃদ্ধি হতে পারে কারণ আপনার ত্বক জীবাণু সংক্রমনের মুখে পড়তে পারে তাই অবশ্যই আপনার বালিশের কভার ও গামছা তোয়ালা কিছুদিন পর পর ধুয়ে পরিষ্কার করে ব্যবহার করবেন।

(4) অতিরিক্ত রোদে বেরোনো আপনার ব্রণ বৃদ্ধি করতে পারে অতিরিক্ত রোধের uv আপনার ত্বককে কালচে দাগ ও লাল হয়েছে যাতে ক্ষতির পাশাপাশি আপনার ত্বকে গরম করে ঘাম ও তেল সৃষ্টি করে জীবাণু সংক্রমনের হার বাড়িয়ে তোলে তাই অবশ্যই বাইরে যাওয়ার সময় টুপি অথবা ওড়না ব্যবহার করুন।

(5) মাথার খুশকির কারণেও কপালের দিকে বা ঘাড়ে ব্রণ হয়ে থাকে তাই অবশ্যই সপ্তাহে দুবার শ্যাম্পু ব্যবহার করুন খুশকির নোংরা কারণে আপনার ব্রণ বৃদ্ধি হয়।

 উপসংহার :

                                                                                                                                            তো আশা করি আপনি ব্রণের কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জেনে গেছেন তো অবশ্যই আপনি যদি ব্রণের সমস্যা থেকে চিরস্থায়ীভাবে মুক্তি পেতে চান তাহলে অবশ্যই এই নিয়মগুলি ফলো করুন এবং আপনাকে আমাদের সাথে এতক্ষণ আপনার মূল্যবান সময়ে দিয়ে  জ্ঞানমূলক বিষয়ে থাকার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ দেখা হবে অন্য কোন পোস্টে তো এতদিন ভালো থাকবেন আসসালামু আলাইকুম।





এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ২

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪